সার
এগ্রোহলিক ফার্টিমিক্স - ২ কেজি (অক্ষত প্যাকেট)
স্টকে আছে — 100টি
- অর্ডার গ্রহণ
- প্যাকিং ও প্রসেসিং
- ডেলিভারি
- আসল ও মানসম্মত পণ্য
- সারা দেশে হোম ডেলিভারি
- যত্নে প্যাকিং
- নষ্ট পৌঁছালে বদলে দেব
ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম, বাকি দাম পণ্য হাতে পেয়ে
বিবরণ
এগ্রোহলিক ফার্টিমিক্স কি! ছাদে কিংবা বারান্দায় শখ করে গাছ লাগিয়েছেন। কিন্তু গাছে কখন কি সার দিবেন? কেনো দিবেন? আবার যে সার ব্যবহার করছেন তাতে গাছের সকল ধরণের পুষ্টির চাহিদা মিটছে তো? গাছের যত্নআত্তি ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা? এই নিয়ে আপনাদের মনে নানা প্রন্স সবসময় যেনো লেগেই থাকে। তাই না। আর ভাবতে হবে না, ছাদবাগানীদের কথা ভেবে আমরা নিয়ে এসেছি ‘ এগ্রহোলিক ফার্টিমিক্স‘ যা ব্যবহার করলে আপনার গাছে আর অন্যকোনো প্রকার সার ব্যবহার করতে হবে না। আপনারা জানেন, গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্যে প্রায় ১৭ টি উপাদান প্রয়োজন হয়। নাইট্রোজেন(N), ফসফরাস(P), পটাশিয়াম(K), ম্যাগনেসিয়াম(Mg), ক্যালসিয়াম(Ca) এবং সালফার(S) এই ছয় টি উপাদান কে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলা হয়। এই উপাদানগুলো গাছের বৃদ্ধির জন্যে সবচেয়ে প্রয়োজন হয়। বোরন(B), জিংক(Zn), আয়রন(Fe), ম্যাঙ্গানিজ(Mn), মলিবডেনাম(Mo), কপার(Cu), ক্লোরাইড(Cl), নিকেল(Ni)। এগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে। এগুলো গাছের বৃদ্ধির জন্যে কম পরিমাণে প্রয়োজন হলেও এগুলো অভাবে গাছে বড় রকমের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই আপনার গাছে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এর যেনো অভাব না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। আর হাইড্রোজেন(H), অক্সিজেন(O) এবং কার্বন (C) গাছ মাটি,পানি এবং বাতাস থেকে গ্রহণ করে নেয়। গাছে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট অভাবে সাধারণত যে লক্ষণগুলো বেশী দেখা যায় সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো :- আয়রন(Fe), ম্যাঙ্গানিজ(Mn) এবং ম্যাগনেসিয়াম(Mg) এর অভাবে গাছের উপরের দিকের নতুন কচি পাতা হলুদ হয়ে যায়। আবার কচি পাতার শিরা সবুজ থাকে কিন্তু পাতার শিরার বাহিরের অংশ ফ্যাকাশে হলুদ হয়ে যায়। এটিকে ক্লোরোসিস বলে। এটিও আয়রণ, ম্যাঙ্গানিজ এবং ম্যাগনেসিয়াম এর অভাবে হতে পারে। গাছের নিচের দিকের পরিপক্ক পাতা নাইট্রোজেন(N) এর অভাবে সম্পূর্ণ হলুদ হয়ে যায়। ৩) জিংক (Zn) এবং বোরন (B) এর অভাবে ফুল-ফল কম হয় বা ঝরে পড়ে। বোরণের অভাবে গাছের ফল ফেটে যায়। আনার গাছে এই বোরনের অভাবে ফল ফেটে যাওয়ার সমস্যা টা বেশী দেখা দেয়। ফসফরাসের (P) অভাবে গাছের পাতা বেগুনী বর্ণের হয়ে যায় এবং গাছের বৃদ্ধি কমে যায়। পটাসিয়াম(K) এর অভাবে গাছের পাতার কিনারা বাদামী বর্ণের হয়ে যায়।দেখে মনে হয় যেনো গাছের পাতা পুড়ে গিয়েছে। গাছের ফল-ফুল ছোট আকৃতির হয়। টমেটোর নিচের যে কালো হয়ে পচে যাওয়া সমস্যা হয় তাকে ‘ব্লোসোম ইন্ড রোটস’ বলে। টমেটো তে এই সমস্যা টা ক্যালসিয়াম(Ca) এর অভাবে হয়ে থাকে। তাছাড়া ক্যালসিয়ামের অভাবে গাছের ফুল-ফল কম সেট হয়, ফলের আকৃতি ছোট হওয়া, গাছের বৃদ্ধি কমে যাওয়া সহয় নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়। সালফার(S) এর অভাবে গাছ খর্বাকৃতি বা ছোট আকৃতির হয়। গাছের পাতা গুলো ছোট হয়ে যায়। 'এগ্রহোলিক ফার্টিমিক্স' ব্যবহারবিধি: এই ২ কেজি সার থেকে প্রতিটা ১-২বছর বয়সী ফল গাছে ২৫০-৩০০ গ্রাম করে দিবেন। আর ফলগাছের বয়স ৩-৫ বছর হলে প্রতিটা গাছের গোড়ায় ৫০০-৭০০ গ্রাম করে সার প্রয়োগ করবেন। আর সকল কাঁচামরিচ, টমেটো, শসা, বেগুন সহ সকল লতাজাতীয় সবজি গাছে ২০০-৩০০ গ্রাম সার প্রয়োগ করবেন। সকল ফুল গাছে ২০০-৩০০ গ্রাম করে সার প্রয়োগ করবেন। বিশেষ নোট: ‘এগ্রোহলিক ফার্টিমিক্স’ আপনারা নতুন চারা রোপনের জন্যে মাটির সাথে মিশাতে পারেন। শুধুমাত্র এই সারটি ব্যবহার করেই আপনারা নতুন চারার জন্যে মাটি প্রস্তুত করতে পারবেন।
Customer reviews
Loading reviews…
Please log in to write a review.




